
বাংলাদেশ হাইকমিশনের বুথ পরিদর্শনকালে উপমন্ত্রী দাতো হাজা হানিফা হাজার তৈয়ব বাংলাদেশের ঔষধশিল্পের অগ্রগতির প্রশংসা করেন। তিনি প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশ হাইকমিশনকে ধন্যবাদ জানান।
সফরকালে হাইকমিশনার ভিক্টোরিয়া বাজ্যের গভর্নরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং ভিক্টোরিয়া সরকারের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান বিষয়ক মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন।
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান অনুষ্ঠানে সকলকে স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য দেন। তিনি বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার সম্পর্ক জোরদারে উভয় দেশের জনগণের আশা আকাঙ্খা বাস্তবায়নের ওপর আলোকপাত করেন।
এফ এম বোরহান উদ্দিন আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘সেতু এইউ’ অ্যাপটি শুধু অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতেই সহায়ক হবে না, বরং বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য, কর্মসংস্থান এবং জ্ঞান ও প্রযুক্তি বিনিময়ের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
আলোচনা পর্বে হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী তার বক্তব্যে বলেন, “মহান স্বাধীনতা অর্জনের পেছনে আমাদের বীর শহীদদের আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাদের এই আত্মত্যাগ আমাদের জন্য প্রেরণার উৎস এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।”
গত বছরের জানুয়ারিতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার আবিদা ইসলামকে লন্ডনে হাইকমিশনার হিসেবে পাঠিয়েছিল। এর আগে, বহুল আলোচিত হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিমকে প্রত্যাহার করা হয়েছিল।
অস্ট্রেলিয়া ফিজি থেকে প্রচুর লোক নেয়, যারা বছরের একটি নির্দিষ্ট সময় কাজ করে দেশে ফিরে যান। বাংলাদেশের সঙ্গেও এরকম একটি চুক্তি হয়েছিল ২০০৩ সালে। সেই চুক্তির অধীনে বাংলাদেশ থেকে লোকজনও এসেছিল। কিন্তু তারা আর ফিরে যাননি। এ কারণে অস্ট্রেলীয় সরকার চুক্তিটি বাতিল করে দিয়েছে।
বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগ ও তত্ত্বাবধানে ২টি বুথে 'প্রাণ' ও 'জুটেক্স' এই মেলায় অংশগ্রহণ করেছে। বাংলাদেশের বুথে পাটজাত পণ্য, সিরামিকস সামগ্রী, ঔষধসামগ্রী, চামড়াজাত পণ্য, খাদ্য ও পানীয় সামগ্রীসহ রপ্তানিযোগ্য বিভিন্ন পণ্য প্রদর্শন করা হয়েছে।
এ প্রদর্শনীতে বিশ্বের ২০টি দেশের প্রায় ৬০০ উৎপাদক ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার সিডনি ও মেলবোর্নে এ ধরনের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রদর্শনী বছরে দুবার অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা। বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় পাঁচতারকা একটি হোটেলে এই সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।
মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশন পরিদর্শন করেছেন পররাষ্ট্রসচিব মো. জসীম উদ্দিন। সরকারী সফরে সিঙ্গাপুর যাওয়ার পথে কুয়ালালামপুরে যাত্রাবিরতিকালে গত শনিবার তিনি হাইকমিশন পরিদর্শন ও হাইকমিশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
অস্ট্রেলিয়ার গভর্নর জেনারেল স্যাম মোস্টান এসির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এফ এম বোরহান উদ্দিন। বুধবার (২ এপ্রিল) পরিচয়পত্র পেশ করেন তিনি।
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশন যথাযোগ্য মর্যাদা, উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্যাপন করেছে। এ উপলক্ষে দূতালয় প্রাঙ্গন বর্ণাঢ্য ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টারে সুসজ্জিত করা হয়।
পাকিস্তানে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান দেশটির প্রেসিডেন্টের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেছেন।
মরিশাসের শ্রম ও শিল্প সম্পর্কিত মন্ত্রী মোহাম্মদ রেজা কাসাম উত্তিমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার জকি আহাদ।